বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

প্রধানমন্ত্রীর ফুলের তোড়া উপহার

জুন ১৫, ২০১৫ 147 views 0
প্রধানমন্ত্রীর ফুলের তোড়া উপহার

প্রথম নিউজ,অনলাইন ডেস্ক :  দারিদ্র্যকে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অভিন্ন শত্রু হিসাবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই দারিদ্র্য শুধু আমাদের নিজেদের নয়, প্রতিবেশী দেশগুলোরও শত্রু।

তাই নিজেদের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলার কথাও ভাবতে হবে। সবাইকে এর বিরুদ্ধে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।

সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে বাংলাদেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে হবে। গত রোববার স্থানীয় সময় বিকেলে লন্ডনের পার্ক লেইন শেরাটনে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

ভারতের সঙ্গে স্থলসীমা বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য শেখ হাসিনাকে দেশের বাইরে এই নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও ব্রিটিশ পার্লামেন্টে লেবার পার্টির সাংসদ ও শেখ হাসিনার বেনের মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকসহ ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নবনির্বাচিত সদস্যরা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান।

সংবর্ধনায় টিউলিপ সিদ্দিকসহ উপস্থিত ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্যদের অভিনন্দন  জানান প্রধানমন্ত্রী।

পরে শেখ হাসিনা ইলফোর্ড সাউথে লেবার এমপি মাইক গ্যাপস, কার্ডিফ সেন্ট্রালের লেবার এমপি জো স্টেভেনস, ইলফোর্ড নর্থের লেবার এমপি অয়েস স্ট্রিটিং, সাটোন ও কিমের কনজারভেটিভ এমপি পল স্কালি রক্ষণশীল দলের এমপি পল স্কালির হাতে ফুলের তোড়া ও বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ইংরেজি সংস্করণ তুলে দেন।

সবশেষে শেখ হাসিনা তার ভাগনি টিউলিপের হাতের ফুলের তোড়া ও বই তুলে দিয়ে কপালে চুমু খান।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতারা শেখ হাসিনার হাতে ফুল তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার হাতে মানপত্র তুলে দেন কলাম লেখক আবদুল গাফফার চৌধুরী।

এ সময় তিনি শেখ হাসিনার মাথায় হাত রাখেন। শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে আবদুল গাফফার চৌধুরীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, যখনই বিপদ দেখেছি, সব সময় ওনার লেখনি সাহস জুগিয়েছে।

মাঝে মধ্যে কষ্ট দিয়েছে। সেটাও ভালো। সেটা থেকে আমরা সতর্ক হওয়ার সুযোগ পেয়েছি। মঞ্চে বসে থাকা গাফফার চৌধুরী এ সময় মিটমিট করে হাসছিলেন।

শেখ হাসিনা বাষ্পরুদ্ধ কন্ঠে বলেন, এতো প্রশংসা পাওয়ার যোগ্যতা আমার নেই। আমার পরিচয় আমি জাতির পিতার কন্যা। আমার বাবার অসমাপ্ত কাজ শেষ করাই আমার লক্ষ্য। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

 

অনেক বাঁধা আসবে। সেই প্রতিকূলতা ঠেলেই এগিয়ে যেতে হবে।

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করে আরও বলেন,  বাংলাদেশ, ভারত, চীন ও মিয়ানমার মিলে আমরা যৌথভাবে যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়েছি।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে টিউলিপ বলেন, আসলে কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি, নিজের খালার হাত থেকে ফুল পাব।

উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা দোয়া করেছেন। আপনাদের সাপোর্ট ছাড়া আমি ব্রিটিশ এমপি হতে পারতাম না। টিউলিপ বলেন, আমি খুব গর্বিত বাঙালি তিনজন এমপি হয়েছে।

আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশ যাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রথমে সিলেটে যাব।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ও তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় সকল ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে বলেন, আমাদের স্বপ্ন অনেক বড়। দেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • সর্বশেষ
  • সবচেয়ে পঠিত

জনমত জরিপ

অং সাং সু চির নোভেল পুরুষ্কার প্রত্যাহার করার জন্য আপনারা কি একমত ?

View Results

Loading ... Loading ...
ব্রেকিং নিউজ