বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

কলেজ ছাত্র কর্তৃক এক প্রতিবন্ধীসহ ৩ শিশু স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের শিকার

জুন ১৫, ২০১৫ 24 views 0
কলেজ ছাত্র কর্তৃক এক প্রতিবন্ধীসহ ৩ শিশু স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের শিকার

প্রথম নিউজ প্রতিবেদক গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার কুশলনাথ এলাকায় এক কলেজ ছাত্র কর্তৃক এক প্রতিবন্ধীসহ ৩ শিশু স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

ধর্ষণের পর মোবাইলে ভিডিও চিত্র রেকড করে ওই ৩ শিশুকে ব্ল্যাক ম্যালিং করা হয়েছে বলে শিশুর পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেছেন।

ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী ও অপর শিশু স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রী এবং অন্যজন একই স্কুলের ৫ম শ্রেনীর ছাত্রী।

৩ জনের বয়সই ০৮ থেকে ১০ বছরের মধ্যে। স্থানীয় ভাবে মিমাংসা করার সার্থে ওই ৩ শিশুর পরিবারকে থানায় যেতে দেয়া হয়নি বলে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকারা দাবী করেছেন।

এলাকাবাসী ও ধর্ষিতা শিশুরা জানিয়েছে,গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার কুশলনাথ গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী মোঃ মোজাম্মেল হোসেন ওরফে মোজাল এর ছেলে নাইম হোসেন(১৯) ওই ৩ শিশুকে মোবাইলে গান দেখানোর নাম করে প্রথমে কাছে নেয়।

পরে তাদের অশ্লিল ছবি দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করে।

ধর্ষণের বিভিন্ন চিত্র মোবাইলে ধারণ করে এবং কাউকে বললে ইনটারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল।

এভাবে পর্যায়ক্রমে এক মাস যাবৎ ধর্ষণ করে আসলি তাদের। ধর্ষণের ফলে গত বৃহস্পতিবার ছোট শিশুটি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন।

প্রতিবন্ধী শিশুর মা দাবী করেছেন, স্থানীয় মাতাব্বরা বিচারের ভার নিয়েছেন। দরিদ্র ও অসহায়ের কারণে তারা সঠিক বিচার পাবে কি না দ্বিধা দ্বন্ধে রয়েছেন।

এব্যাপারে ধর্ষকের বড়বোন নাজমিন আক্তার বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবী করে বলেন, ৩ জনই ছোট্ট শিশু, বিভিন্ন সময় মোবাইলে গেইম খেলেছে দেখেছি।

নাইম হোসেন গাজীপুরের ভাওয়াল মির্জাপুর ডিগ্রী কলেজের দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্র। তার দ্বারা এধরণের কাজ অসম্ভব।

স্থানীয় মাতাব্বর মোঃ আব্বাস আলী সিকদার জানিয়েছেন, বিষয়টি লজ্জাস্কর ও দুঃখ জনক।

স্থানীয় মদ্যপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান, কালিয়াকৈর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডারকে নিয়ে স্থানীয়ভাবে মিমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে। সঠিক বিচার করতে না পারলে প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয় হবে।

স্থানীয় কুশনাথ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা বিউটি আক্তার বলেছেন, এরা অবুঝ শিশু।

৩ জনকে পৃথকভাবে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। প্রত্যেকেই স্বীকার করেছে। একজনের বিষয় ভিডিও করার কথা বলেছে। ঘটনাটি দুঃখ জনক।

এধরণে কর্মকান্ডের জন্য কঠিন শাস্তি হওয়া উচিৎ।

কালিয়াকৈর থানার ইন্সপেক্টর(তদন্ত) মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, এবিষয়ে কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • সর্বশেষ
  • সবচেয়ে পঠিত

জনমত জরিপ

অং সাং সু চির নোভেল পুরুষ্কার প্রত্যাহার করার জন্য আপনারা কি একমত ?

View Results

Loading ... Loading ...
ব্রেকিং নিউজ