Wednesday, ১৬ আগষ্ট, ২০১৭

থ্রি-পিসের দোকানে ভিড় তরুণীদের

জুন ৬, ২০১৭ 331 views 0
থ্রি-পিসের দোকানে ভিড় তরুণীদের

প্রথম নিউজ প্রতিবেদক : ঈদকে সামনে রেখে তরুণীরা এখন ভিড় করছেন সেলাইবিহীন থ্রি-পিসের দোকানগুলোতে।কারণ আর পাঁচ/সাতদিন পরেই দর্জির দোকানে পোশাক বানানোর অর্ডার বন্ধ হয়ে যাবে।

 

নামি কিছু টেইলারে ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে অর্ডার নেয়া।এ আর প্লাজা, বসুন্ধরা সিটি, জেনেটিক প্লাজা, রাপা প্লাজা ঘুরে দেখা যায়, বেশ ভিড় এখন আনস্টিচ থ্রি-পিসের দোকানগুলোতে।

 

বসুন্ধরার চতুর্থতলায় আনস্টিচ থ্রি-পিসের দোকানে কথা হয়, অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আশিকুর রহমানের সঙ্গে।তিনি অস্ট্রেলিয়ায় থাকা তার স্ত্রীর জন্য থ্রি-পিস দেখছেন।

 

এর ছবি তুলে ভাইবারে পাঠিয়ে দিচ্ছেন, তা দেখে ভালো-মন্দ মন্তব্য করছেন তার স্ত্রী আঁখি।আঁখির পছন্দ পাকিস্তানি সিফনের অলওভার কাজের থ্রি-পিস।

 

তবে পাকিস্তানি থ্রি-পিস মার্কেটে তুলনামূলক কম।দোকানিরা বলছেন, পাকিস্তানি থ্রি-পিসের চেয়ে ভারতীয় থ্রি-পিসের চাহিদা বেশি।কারণ হিসেবে দোকানিরা বলছেন, পাকিস্তানি সিফনের থ্রি-পিসের দামটা একটু বেশি।

 

পাকিস্তানি সিফনের এসব থ্রি-পিসের দাম কাজের উপর নির্ভর করে সাত হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

 

দোকানিরা বলছেন, ঈদে সবসময় তরুণীদের পছন্দের শীর্ষে থাকে গাঢ় রঙের পোশাক।গাঢ় নীল, লাল, কালো, অরেঞ্জ, টিয়া, বেগুণি রঙগুলো বেশি চলে।

 

এর পাশাপাশি হালকা রঙগুলোর প্রতি আগ্রহ দেখা যায় একটু বেশি বয়সী নারীদের।মা-খালার জন্য সবসময় হালকা রঙের পোশাক কিনে থাকেন সবাই।যে কারণে ঈদে হালকা ও গাঢ় দুটো রঙের প্রাধান্যই থাকে বেশি।

 

তবে গরমের কারণে আরামদায়ক কাপড়ের দিকেই ঝুঁকে থাকেন ক্রেতারা। গরমে ঈদ হওয়ার কারণে সুতি, লিলেন, খাদি, এন্ডি কটন, ভয়েল, পাকিস্তানি লন, এন্ডি সিল্ক কাপড়ের পোশাকের চাহিদা বেশি।

 

এসব কাপড়ের মধ্যে হালকা কাটওয়ার্ক, এমব্রয়ডারি, ডলার বসানো কাজের কাপড়ের প্রাধান্য পেয়েছে বেশি।ডিজাইনের পাশাপাশি ফ্যাশন হাউসগুলো পোশাকে ব্যবহার করেছে উজ্জ্বল রঙ ও উজ্জ্বল রঙের সুতো।

 

তরুণীরা এ মার্কেট সে মার্কেট ঘুরে-ফিরে পছন্দ করছেন তাদের পছন্দের পোশাকটি।একজন ক্রেতা দীপা পারভীন বলেন, এখন দোকানিরা যেসব থ্রি-পিস দেখাচ্ছেন তা পুরোনো।

 

ঈদের জন্য এখনো মনে হয় তারা নতুন মালামাল তোলেননি।তবে এ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দোকানি শাহীন আহমেদ বলেন,‘দোকানে আমাদের ভর্তি মাল আছে,

 

এসব বিক্রি করে শেষ করতে না পারলে তো আবার মাল এনে রাখতে পারবো না।তবে যেসব মাল এখন আছে সেসব তো রোজার দু’একদিন আগেই আনা।বেশি পুরনো নয়।’

 

সুতি কাপড়ের মধ্যে কাজ করা পাকিস্তানি লনের দাম পড়ছে ১৫০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা।আর জর্জেট থ্রি-পিসের দাম পড়ছে ২০০০ টাকা থেকে আট হাজার টাকা।বর্তমানে চলছে লং কামিজ।

 

এর পাশাপাশি চলছে পাকিস্তানি কুর্তি, ফ্রক, টপস, ফতুয়া ইত্যাদি। সঙ্গে থাকছে ওড়নাসহ প্লাজ্জো, ল্যাগিন্স, প্যান্ট কাট পায়জামা ও চোস।

 

আর এসব পোশাকের চাহিদা মেটাতে এগিয়ে এসেছে দেশীয় বুটিক হাউজসহ বেশকিছু ছোট-বড় ব্র্যান্ড।কিন্তু এসবের পাশাপাশি হাঁটুঅব্দি লম্বা কামিজ আর সালোয়ারের প্রচলন রয়েছে সবসময়ের জন্য।

 

গতবছরের মতো এবারও চলছে লং কামিজ, তবে গোল কাটের জামাও চলছে বেশ।এসব জামার গলায় কাজের বেশ চাহিদা রয়েছে।প্রতিটি জামার গলায় কারুকাজ থাকছে।

 

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনমত জরিপ

অং সাং সু চির নোভেল পুরুষ্কার প্রত্যাহার করার জন্য আপনারা কি একমত ?

View Results

Loading ... Loading ...
ব্রেকিং নিউজ