বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

জামায়াতকে নিয়ে জঙ্গী নাটকের শেষ কোথায় ???

আগস্ট ১৬, ২০১৭ 842 views 0
জামায়াতকে নিয়ে জঙ্গী নাটকের শেষ কোথায় ???

রাকেশ রহমান :

ঢাকা শহরে বহিরাগত শহর থেকে আসা কোন তরুন দেখলেই পুলিশ বা ডিবি পুলিশ তাকে আটক করছে। সেই আটক করা তরুন ছেলেদের দিয়ে কোন না কোন নাটকীয় ঘটনা সাজিয়ে দেখানো হচ্ছে তারা ঢাকায় এসেছিলো জঙ্গী হামলার জন্য। পরে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করছে তার লাশ। নাটকের শেষ দৃশ্যে প্রধান চরিত্রের কিছু বলার কোন উপায় থাকছে না।

 

অতএব, ঘটে যাওয়া ধানমন্ডিতে আত্মঘাতীও কোন না কোন এক নাটকের দৃশ্য। নাটক চাপা থাকে না তাই পুলিশের পরিবারের কোন এক সদস্য কথা প্রসঙ্গে বলে ফেলছে আসল ঘটনা।

 

ধানমন্ডির ঘটনাও তার ভিন্ন কিছু না। জঙ্গী হামলা এখন পর্যন্ত পৃথিবীর যত দেশে ঘটেছে সব জঙ্গীরাই সাধারণত অন্য দেশ থেকে এসে ঘটিয়েছ । কিন্তু বাংলাদেশেই শুধু দেশের মানুষরা ঘটাচ্ছে !?

 

বাংলাদেশে জঙ্গী হামলা দেখিয়ে ডাঃ জাকির নায়েককে নিষিদ্ধ করতে সাহায্য করেছে ভারতকে। সবগুলো হামলা সরকারী ভাবে করানো হয়েছে নাটকীয় কায়দায়।

 

একের পর এক নাটক করে যেভাবে জামায়াতের নাম দেওয়া হচ্ছে এবং বর্তমানে ঘটে যাওয়া ঘটনাতেও জামায়াতের নাম দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তার ফলে সাথে সাথে জামায়াতে ইসলামী দল তাদের মন্তব্য দিয়ে পরিষ্কার জানিয়েছেন।

 

“জামায়াত-শিবিরকে জড়িয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শকের বক্তব্যে বিষ্ময় প্রকাশ :
কোন জঙ্গি গোষ্ঠী বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জামায়াত-শিবিরের কোন সম্পর্ক নেই এবং ভবিষ্যতে কোন সম্পর্ক থাকার প্রশ্নই আসে না—মাওলানা রফিক খান”।

 

জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি এই দুটি রাজনৈতিক দলের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন বর্তমানে রয়েছে আকাশছোঁয়া, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের একটি সুস্থ, সুন্দর, সরল, স্বচ্ছ ও ইসলামের আলোকে পরিচালিত রাজনৈতিক দল।

 

যেই দলের কাঠামোতে রয়েছে প্রতিটি পদক্ষেপের জবাবদিহিতা বাধ্যতামূলক। আর ধর্ম কেন্দ্রিক রাজনীতিক দল শুধু বাংলাদেশেই নয় বরং পৃথিবীর বহু দেশেই রয়েছে।

 

পৃথিবীর ইতিহাসে ধর্ম কেন্দ্রিক রাজনৈতিক দল ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। এমনকি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বর্তমানে ধর্ম কেন্দ্রিক দল দেশ পরিচালনা করছে।

 

আর বাংলাদেশের জনগণের শতকরা ৮৬% এর অধিক রয়েছে ইসলাম ধর্মের অনুসারী। সেই দেশে ইসলাম ধর্মের আলোকে রাজনৈতিক দল থাকবে এটাই স্বাভাবিক।

 

আমাদের বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) উনার জীবন দশায় তিনি একজন রাষ্ট্র প্রধান ও শাসকের দায়িত্বও পালন করে গিয়েছেন। পবিত্র কুরআন শরীফে অসংখ্য আয়াত নাযিল হয়েছে ইসলামী শাসন, ইসলামী অর্থনীতির উপর। ইসলাম পূনাঙ্গভাবে গণতান্ত্রিক চর্চায় জোড় দেয়।

 

ইসলামে গণতন্ত্রের বিকল্প কোন পন্থা নেই। সেই ক্ষেত্রেই ইসলামী শাসন ব্যবস্থা চালু করতেই ইসলামী আলোকে রাজনৈতিক দল থাকা ইসলামী দেশে অত্যাবশ্যক।

 

বর্তমানের এই নোংরামির নাটক বন্ধ না হলে দেশের মানুষ আর নিরব থাকবেনা নেমে আসবে রাস্তায় এবং টেনে নামিয়ে ছাড়বে সরকারকে।

 

লেখকঃ

রাকেশ রহমান

প্রেসিডিয়াম সদস্য, এনডিপি

(২০ দলীয় জোটের শরিক দল),

প্রবাস থেকে।

E-mail- rakesh_rahman@libero.it

Phone – 0039 3270989409

 

.

.

 

***এখানে প্রকাশিত সকল মতামত লেখকের একান্ত নিজস্ব, প্রথম নিউজের সম্পাদকীয় বিভাগের আওতাভুক্ত নয়।***

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনমত জরিপ

অং সাং সু চির নোভেল পুরুষ্কার প্রত্যাহার করার জন্য আপনারা কি একমত ?

View Results

Loading ... Loading ...
ব্রেকিং নিউজ