শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

মোদীর বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে বামপন্থী সংগঠনগুলোর বিক্ষোভ – আটক ৭

জুন ৬, ২০১৫ 25 views 0
মোদীর বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে বামপন্থী সংগঠনগুলোর বিক্ষোভ – আটক ৭

প্রথম নিউজ প্রতিবেদক ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে বামপন্থী সংগঠনগুলোর বিক্ষোভ সমাবেশে বাধা দিয়েছে পুলিশ।

আজ বিকালে প্রেসক্লাব এলাকায় পূর্বঘোষিত গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা ও বামপন্থী চার সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভের চেষ্টা করলে সাতজনকে আটক করে পুলিশ।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- বাসদ নগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, ঢাবি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নেত্রী তমা রায়, বদরুন্নেসা কলেজের সায়মা, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের নেতা আহমদ মহিউদ্দীন ও দীপা, নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চার জাফর আহমেদ ও জাকির সুমন।

পুলিশের রমনা জোনের এসি শিবলী নোমান বলেন, প্রেসক্লাব এলাকায় বামদলগুলো ঝামেলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সাতজনকে আটক করা হয়েছে।

বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুভ্রাংশু চক্রবর্ত্তী বলেন, সরকারের পেটোয়াবাহিনী জনগণের কণ্ঠরোধ করতে চায়।

আমরা প্রতিবাদ জানাতে চেয়েছি। কিন্তু পেটোয়া পুলিশ আমাদের নেতাকর্মীদের আটক করেছে।

আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

তিস্তা নদীসহ অভিন্ন ৫৪ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়, রামপালের বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলসহ বিভিন্ন দাবিতে পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয় সাতটি বাম দলের জোট গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা এবং জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল, নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা, জাতীয় গণফ্রন্ট ও জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমোর্চা।

এদিকে আজ বিকেলে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার পূর্বনির্ধারিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আগে সংগঠনের নেতাদের আটকের নিন্দা জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুজ্জামান সাকন ও সাধারণ সম্পাদক স্নেহাদ্রি চক্রর্বর্তী রিন্টু এক যুক্ত বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে আটক ছাত্র নেতাদের মুক্তির দাবি জানিয়ে বলা হয়, কর্মসূচির অনেক আগেই পুলিশ প্রেস ক্লাব এবং বাসদ (মার্কসবাদী) কার্যালয়ের সামনে অবস্থান  নেয়।

কার্যালয়ের নিচ থেকে মিছিল শুরুর আগেই আটক করা হয় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক ও ঢাকা নগর শাখার সাধারণ সম্পাদক শরীফুল চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অর্থ সম্পাদক প্রগতি বর্মণ তমা, ঢাকা নগরের সংগঠক সায়মা আফরোজকে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘কোনো বিষয়েই প্রতিবাদ-বিক্ষোভ সহ্য করার ন্যূনতম সহনশীলতা এ সরকারের নেই।

আমাদের দেশের ওপর ভারত যতই আগ্রাসন চালাক, নদীগুলোকে শুকিয়ে মারুক, সীমান্তে মানুষ হত্যা করুক তবুও তার বিরুদ্ধে কিংবা সাম্প্রদায়িক মোদি সরকারের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলার সুযোগও এ সরকার দিতে চায় না।

এর মাধ্যমে সরকার জনগণের ওপর সম্পূণরূপে জবরদস্তির শাসন নামিয়ে এনেছে। আমরা এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনমত জরিপ

অং সাং সু চির নোভেল পুরুষ্কার প্রত্যাহার করার জন্য আপনারা কি একমত ?

View Results

Loading ... Loading ...
ব্রেকিং নিউজ