শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

শাড়িই নারীর প্রথম দুর্বলতা

জুন ৮, ২০১৭ 213 views 0
শাড়িই নারীর প্রথম দুর্বলতা

প্রথম নিউজ লাইফস্টাইল ডেস্ক  :শব্দটি উচ্চারণ মাত্রই বাঙালি রমণীর মুখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। শাড়ির প্রতি অনুরাগ নেই, এমন বাঙালি নারী খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। যে কোনো উত্সবে শাড়ি ছাড়া নারীর সাজগোজ যেন অপূর্ণই থেকে যায়। বাঙালি নারীর জীবনে শাড়ি বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

 

 

পাশ্চাত্যের ছোঁয়া থাকলেও এদেশি নারীদের পছন্দের তালিকায় এখনো শীর্ষে রয়েছে শাড়িই। তাই ঈদের মতো বর্ণিল ও আনন্দময় উত্সব নারীরা নতুন শাড়ি ছাড়া কল্পনাই করতে পারেন না। ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় এবার ঈদেও নারীদের টান শাড়ির দিকে বেশি বলেই মনে করছেন বিক্রেতারা।

 

 

 

গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন শপিং মল ও শাড়ির মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে শাড়ির প্রতি নারীর দুর্বলতার চিত্র। দেখলে মনে হবে যেন, মার্কেটগুলোতে শাড়ির দোকানে নারীর মেলা বসেছে। বসুন্ধরা সিটি শপিং মল, বেইলি রোড, রাপা প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্লাজা এআর, গাউছিয়া, চাঁদনী চক, নিউ মার্কেট, মৌচাক মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, দোকানিরা কটন, সফট কটন, এন্ডি কটন, সিল্ক, হাফ সিল্ক, এন্ডি সিল্ক, মসলিন, জামদানি, কাতান, কাঞ্জিবারাম ও গাদোয়াল শাড়ির পসরা সাজিয়েছেন।

 

 

 

বিক্রেতারা জানান, বাজারে ভারতীয় শাড়ির রমরমা বেচাবিক্রি হলেও দেশি শাড়ির প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ একটুও কমেনি, বরং দিন দিন এ আগ্রহ বাড়ছে।

 

 

 

বসুন্ধরা সিটির লেভেল-৭-এর দেশি দশের নগরদোলা, নিপুণ, কে-ক্র্যাফট, সাদাকালো, অঞ্জনস, প্রবর্তনা, রঙ, দেশাল, বিবিয়ানা ও বাংলার মেলায় পাওয়া যাচ্ছে রকমারি শাড়ি। দাম দুই হাজার ২৯০ থেকে ১৬ হাজার ৯৯০ টাকা পর্যন্ত।

 

 

 

অন্যদিকে বেইলি রোডের শাড়ি বাজারের প্রধান আকর্ষণ টাঙ্গাইল শাড়ি কুটির। প্রায় ২০ ধরনের শাড়ি পাওয়া যায় এখানে। রয়েছে দেশি ফ্যাশন হাউস সাদা কালো, রঙ, অন্যমেলা, কে-ক্র্যাফট, সজনী, রুমঝুম, জেসমিন, উত্সব, এম ক্রাফট, অনন্যা, ঝলক, স্মৃতি শাড়ি কুটির, বধূয়া, বুনন প্রভৃতি। এসব ফ্যাশন হাউসে রয়েছে বৈচিত্র্যময় দেশিয় শাড়ির সম্ভার।

 

বিক্রেতারা বলেন, শাড়ির দাম ক্রেতাদের হাতের নাগালে। স্বল্প আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তের সামর্থ্যের শাড়ি মেলে এখানে। ৫শ’ থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকার বেশি দামের শাড়িও সোভা পাচ্ছে এখানে। সবচেয়ে বেশি দাম ঢাকাই জামদানি শাড়ির।

 

এছাড়া তাঁত শাড়ি ৫শ’ ৫০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা, টাঙ্গাইল সিল্ক প্রিন্ট ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা, কারচুপি ৯শ’ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা, বুটিক ৮শ’ থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টাঙ্গাইল সুতি জামদানি ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০, টাঙ্গাইল কাতান ২ হাজার ৮০০ থেকে ৫ হাজার টাকা।

 

মসলিন জামদানি ২ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকা, রাজশাহী সিল্ক ১ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার, হাফ সিল্ক ৬শ’ থেকে ৫ হাজার, মিরপুরের কাতান ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার, ঢাকাই জামদানি ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

 

 

 

অন্য দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে ড্রিম গার্ল সিল্ক, সিঁড়ি কাতান, কোহিনুর সিল্ক, টাঙ্গাইলের মসলিন এবং রাজশাহীর মেগা সিল্ক। এমব্রয়ডারি, ব্লক, হাতের কাজ, স্ক্রিন প্রিন্ট ও কারচুপির কারুকাজ এসব শাড়িতে এনেছে অনন্য সৌন্দর্য্য।

 

 

 

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনমত জরিপ

অং সাং সু চির নোভেল পুরুষ্কার প্রত্যাহার করার জন্য আপনারা কি একমত ?

View Results

Loading ... Loading ...
ব্রেকিং নিউজ