শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকায় সু চির দপ্তর বিষয়ক মন্ত্রী সোয়ে

অক্টোবর ২, ২০১৭ 140 views 0
ঢাকায় সু চির দপ্তর বিষয়ক মন্ত্রী সোয়ে

প্রথম নিউজ প্রতিবেদক : চলমান রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে আলোচনার উদ্দেশ্যে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি’র দপ্তর বিষয়ক মন্ত্রী কিয়াও তিন্ত সোয়ে সোমবার মধ্যরাতে ঢাকায় এসেছেন।

 

থাই এয়ারওয়েজের একটি বিশেষ বিমানে রাত ১টার দিকে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।

 

এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কিয়াও তিন্ত সোয়ে ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।

 

সাম্প্রতিক রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে গোড়া থেকেই মিয়ানমারকে আলোচনায় বসার জন্য আহ্বান জানিয়ে আসছিল বাংলাদেশ। এজন্যে দেশটির প্রতিনিধি দলকে ঢাকা সফরের আহ্বানও জানানো হয়। কেননা, হত্যা ও নির্যাতন থেকে রক্ষা পেতে পালিয়ে আসা সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মারাত্মক চাপ সামলাতে হচ্ছে বাংলাদেশকেই।

 

জাতিসংঘের হিসেবে গত ২৫ আগস্ট থেকে এপর্যন্ত ৫ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এর আগে থেকেই প্রায় ৫ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে বাস করছে। তাদের ফিরিয়ে নিতে বারবার আহ্বান জানানো সত্ত্বেও তাতে কান দেয়নি মিয়ানমার সরকার।

 

ফলে দীর্ঘদিনের এই সমস্যার সমাধানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকেই গুরুত্ব দিয়ে আসছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মিয়ানমারের রাখাইনে বাস করা এসব রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য দীর্ঘ দিন ধরেই একটি স্থায়ী সমাধান চাওয়া হচ্ছে।

 

এদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর কিয়াও তিন্ত সোয়ে আজই ঢাকা ছাড়বেন বলে মিয়ানমারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

 

এর আগে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে কথা বলতে সু চির দপ্তর বিষয়ক মন্ত্রী ঢাকা আসছেন বলে গত সপ্তাহে জানিয়েছিলেন মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী উ উইন মিত আয়ে।

 

অন্যদিকে দেশটির সংবাদমাধ্যম ইরাবতী এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, উইন মিত আয়ে রাখাইনের মংডু এলাকায় যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন ও পুনর্বাসন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন।

 

ইরাবতীর ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন ও পুনর্বাসনের জন্য দুই বিলিয়ন কিয়াট ব্যয়ে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। যাতে ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষরিত মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যকার প্রত্যার্পন চুক্তির আওতায় শরণার্থীদের নিবন্ধন করা হবে।

 

মংডুর দার গি জার গ্রামে পুনর্বাসনের আগে তাংপিও লেতওয়ে ও না খুয়ে ইয়া গ্রামে তাদের নিবন্ধন হবে।

 

এই বিষয়ে মিয়ানমারের শ্রম, অভিবাসন ও জনসংখ্যা মন্ত্রণালয়ের পার্মানেন্ট সেক্রেটারি উ মিন্ট কেইং ইরাবতীকে জানান, দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য যাদের মনোনীত করা হবে তাদের ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড বা এনভিসি দেওয়া হবে। যদিও ‘রোহিঙ্গা’ স্বীকৃতি না থাকায় এই মুসলিম জনগোষ্ঠী এনভিসি নিতে আপত্তি জানিয়ে আসছিল।

 

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • সর্বশেষ
  • সবচেয়ে পঠিত

জনমত জরিপ

অং সাং সু চির নোভেল পুরুষ্কার প্রত্যাহার করার জন্য আপনারা কি একমত ?

View Results

Loading ... Loading ...
ব্রেকিং নিউজ