শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

“আব্বা ১৯৮০ সালেই আমাকে স্যাটালাইটের কথা বলেছিলেন” পিতা সম্পর্কে স্মৃতিচারণে তারেক রহমান

মে ৩০, ২০১৫ 170 views 0

প্রথম নিউজ অনলাইন ডেস্ক :  বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান আন্দোলন নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে জিয়াউর রহমান একজন ক্ষনজম্ম পুরুষ। তিনি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধ কালীন বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট ও স্বাধীনতার ঘোষক।

স্বাধীনতার ঘোষনা না দিয়েই শেখ মজিব ৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানীদের কাছে আত্মসম্র্পন করেন। এমনই এক দিক নির্দেশনাহীন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষনা করেন মেজর জিয়াউর রহমান। এরপর তিনি নিজেকে অস্থায়ী ঘোষনা করে স্বাধীনতার ঘোষনা করেন তিনি।

 

তিনি রনাঙ্গনের সমন্ত্র গৌরব অর্জন করেছেন। ছিলেন সেক্টর কমান্ডার। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে গৌরব অর্জন করেছেন তিনি। রাজনীতিবিদ হয়েও গনতন্ত্রকে হত্যা করেছিলেন শেখ মজিবর রহমান। অপরদিকে একজন সাময়িক কর্মকর্তা হয়েও দেশের গনতন্ত্র পূর্ণ প্রতিষ্ঠা করেছেন জিয়াউর রহমান।

 

জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনীতিবীদ তিনি জনপ্রিয় ও নির্ভর যোগ্য রাজনীতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৫ সালের ৩০শে মে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৪তম শাহাদাত বার্ষিকী।

 

স্বাধীনতা ঘোষকের সন্তান দেশনায়ক তারেক রহমান আরও বলেন, একদিন সন্ধ্যার সময় ঘটনাটি হবে ১৯৮০ সালের শেষে আমি সন্ধ্যার সময় প্রাইভেট টিউটোর কাছে পড়ে বাসায় ফিরেছি। তখন খুব সম্ভব হবে সন্ধ্যা ৭টা। আব্বা কিছুক্ষন আগেই অফিস থেকে ফিরেছেন তো আমাদের বাসায় একটা ঘর ছিলো। সেই ঘরটাকে আমরা বলতাম টিভি রুম। ১টাই যেহুতে টিভি ছিলো তো সেটা ঐ ঘরটাতে থাকতো। তো সবাই মিলে যখন ফ্যামিলি বসে খাওয়া-দাওয়া টিভি দেখাটা ঐ রুমেই হতো। ঐ রুমের একটা কর্নারে একটা সেল্ফ ছিলো। সেই সেল্ফ টাতে সাধারনত আব্বা যখন ফিরে আসতেন অফিস থেকে ওনার সাথে যদি কোন ফাইল থাকতেন তাহলে ওখানেই রাখতেন। তো আমি প্রাইভেট টিউটোর থেকে যখন পড়ে আসছি। পড়ে এসে সাভাবিক একটু টিভি দেখবো। মাত্র তো পড়া লেখা করে আসছি। তো আমি টিভিটা চালিয়েছি। চালিয়ে চেয়ারে বসতে যাবো তখন হটাৎ খেয়াল করলাম আব্বার ফাইল গুলো যেখানে ফাইলের ভিতর থেকে একটা ছবির কর্নার বের হয়ে আছে। তো আমার কাছে একটু ভয়ে লেগেছে। কি ব্যাপার ফাইলের মধ্যে ফটো? তো আমি গিয়ে কৌতুহল বসত আমি ছবিটাকে টানে দিয়েছি। ছবিটি টান দেবার পর দেখলাম যে একট রকেটের ছবি। একটি সুন্দর রকেটের ছবি। তো এর মধ্যে আব্বা পিছন থেকে ঘরে দুকেছেন। আমি ওটা প্রথমে খেয়াল করেনি আর বুঝতে পারিনি। কারন আমি মনোযোগ দিয়ে রকেটের ছবিটা দেখছি। উনি দেখেছেন, আর বললেন যে কি করছো? তো আমি তখন চমকে উঠলাম একটু। আমি বললাম না তোমার ফাইলের মধ্যে এই ছবিটা ছিলো। এই ছবিটা দেখছিলাম। তো আমাকে ওনি বললেন কিসের ছবি বলো? বলতে পারবে? তখন আমি বললাম এটা তো রকেটের ছবি।

তখন আব্বা বললেন হে রকেট। তবে এটার সাথে স্যাটালাইট ফিট করা আছে। আমি বললাম স্যাটেলাইট ফিট করা আছে? কেন স্যাটেলাইট ফিট করা আছে? এ রকম একটা স্যাটেলাইট এটা আমি ১৯৮০ সালের কথা বলছি। আব্বা বললেন এ রকম স্যাটেলাইট আমরা জামানীর সাথে করবো। এবং এমন একটা স্যাটেলাইট আমাদের নিজেদের হবে।এটা আকাশে থাকবে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র যেটা বলে। সেটা আকাশে থাকবে। তো আমি বললাম লাভ কি হবে আমাদের? আব্বা তখন বললেন প্রথমট লাভ হবে কখন আমাদের ঝড় হচ্ছে বৃষ্টি হচ্ছে এই ধরনের ঘটনা বন্যা হচ্ছে এগুলি আমরা আগাম জানতেপারবো। জানলে আমরা আমাদের কৃষকদেরকে আগাম জানাতে পারবো।

আগে থেকে কৃষকদেরকে খবর আমরা বলে দিতে পারি। সাহায্য করতে পারি। তাহলে আগে থেকে আমরা মেজারমেন্ট নিতে পারবো। তা কৃষকদের জন্য সুবিধা হবে। ফসলের জন্য সুবিধা হবে। ফসল রক্ষা করতে পারলে মানুষ খেয়ে পরে বেচে থাকতে পারবে তার থেকে বড় কথা হলো আমরা ফসল এক্সপোর্ট ও করতে পারবো।

শুধু তাই না স্যাটেলাইট টা যেমন আমাদের অন্য দেশের স্যাটেলাইট ব্যবহার করতে হয় তখন আমাদের নিজেদের স্যাটেলাইট ব্যবহার করবো। ফোন করার জন্য। তখন আমরা আমাদের স্যাটেলাইট অন্যদেরকে ভাড়া ও দিতে পারবো। ফলে সোজা বিষয়টা হলো সংক্ষেপে উনি, স্যাটেলাইট থাকলে আমাদের কি কি উপকার হবে ২টা ৩টা উদাহারন দিয়ে বুঝিয়েছিলেন। এই ঘটনাটা খুব মনে পড়ে আমার। মাঝে মাঝেই মনে পরে। তখন কার সময় উনি এই এখনকার সময়ের কথা চিন্তা করে ছিলেন।

 

 

(পরবর্তী পর্ব চলবে …………)

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনমত জরিপ

অং সাং সু চির নোভেল পুরুষ্কার প্রত্যাহার করার জন্য আপনারা কি একমত ?

View Results

Loading ... Loading ...
ব্রেকিং নিউজ