সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭

নতুন চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায় মাশরাফি

মে ১১, ২০১৭ 222 views 0
নতুন চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায়  মাশরাফি

প্রথম নিউজ স্পোর্টস ডেস্ক : চ্যাম্পিয়নস ট্রফির যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯৮ সালে; এই ঢাকা শহরে। তখন নাম ছিল আইসিসি নক আউট টুর্নামেন্ট; লোকে বলত— মিনি বিশ্বকাপ।

 

বাড়ির উঠানে সেই টুর্নামেন্টে দর্শক ছিল বাংলাদেশ।এরপর থেকে এই টুর্নামেন্টটির কাঠামো ও অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশিবার পরিবর্তিত হয়েছে।

 

২০০২ থেকে ২০০৬; এই তিন আসরে বাংলাদেশ ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকায় অংশ নিয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে টুর্নামেন্টটি যখন সেরা আট দলের আসর হয়ে গেল, তখন থেকে আবারও দর্শক হয়ে থাকতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

 

অবশেষে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি না বদলালেও এবার বদলে গেছে বাংলাদেশ। নিজেদের যোগ্যতা দিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বের সেরা আট দলের একটি হিসেবে ১ জুন থেকে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে অংশ নেবে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

 

চ্যাম্পিয়নস ট্রফি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মাশরাফি এই নিজেদের যোগ্যতায় খেলার ব্যাপারটার ওপরই জোর দিলেনচ্যাম্পিয়নস ট্রফিকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে সব দল নিজেদের স্কোয়াড ঘোষণা করে ফেলেছে।

 

দলগুলো হাতে পাওয়ার পর আইসিসির পক্ষ থেকে বিভিন্ন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের মন্তব্য পাঠানো হয়েছে। আর সেখানেই মাশরাফি বলছেন, তিনি জানেন, চ্যালেঞ্জটা খুব কঠিন। তবে চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত তার দল।

 

 

বাংলাদেশ সাম্প্রতিক অতীতে দারুণ ক্রিকেট খেলছে সব ফরম্যাটেই। এবার মাশরাফির আশা নিজেদের মানদণ্ডটা আরেকটু ওপরে তুলে ধরতে পারবেন, ‘আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিজেদের যোগ্যতাবলে আবারও ফিরে আসতে পেরে আমরা উচ্ছসিত।

 

এই সেরাদের প্রতিযোগিতার জন্য আমাদের যে দলটা ঘোষণা করা হয়েছে, সেটা অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের একটা দারুণ সমন্বয় হয়েছে। আমরা নিকট অতীতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভালো পারফরম করছি।

 

এবার যুক্তরাজ্যে সেই পারফরম্যান্সের মানদণ্ডটা আরো উঁচুতে তুলে ধরতে চাই। আমরা জানি, প্রতিটা আইসিসি ইভেন্টের মতো চ্যাম্পিয়নস ট্রফিও কঠিন একটা টুর্নামেন্ট হতে যাচ্ছে। এখানে ভালো করতে গেলে প্রতিটা দফায় মাঠে নেমে নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে হবে।’

 

দলের অধিনায়ক মাশরাফি ও সহ-অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের অভিজ্ঞতা আছে এই টুর্নামেন্টে খেলার। মাশরাফি বলছেন, সাথে তামিম ও মুশফিক মিলে দারুণ একটা কম্বিনেশন তৈরি করেছেন তারা, ‘২০০৬ সালে আমি ও সাকিব এই টুর্নামেন্টে খেলেছি। সেই প্রতিযোগিতায় আবার খেলার সুযোগ হওয়াটা দারুণ ব্যাপার।

 

এখানে অভিজ্ঞতার অনেক মূল আছে। সাকিব এখন বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডার। তার সাথে মুশফিকুর রহিম ও তামিম ইকবালের উপস্থিতি পুরো ড্রেসিং রুমেরই আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

 

আমি বিশ্বাস করি যে, আমাদের যে মানের খেলোয়াড় আছে, তাতে আমরা এখানে বেশ উল্লেখযোগ্য কিছু পারফরম্যান্স করতে পারব।’

 

মাশরাফি যেমন ২০০৬ সালে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে যাচ্ছেন চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে, ২০০২ সাল থেকে এই টুর্নামেন্ট খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে আসছেন শোয়েব মালিক।

 

পাকিস্তানের এই সিনিয়র খেলোয়াড় ৬টি আসরে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে বলছিলেন, ‘আইসিসি ট্রফির মতো এরকম কোয়ালিটি একটা টুর্নামেন্টে পাকিস্তান দলের এতো বার অংশ হতে পারাটা একটা গর্বের ব্যাপার।

 

আমি যদি আলাদা আলাদা করেন এই ছয়টি আসরের খেলোয়াড়দের কথা চিন্তা করি, আমার জন্য এটা খুবই গর্বের ব্যাপার যে এতো সব যোগ্য খেলোয়াড় ও ভদ্রলোকের সাথে আমি খেলেছি।’

 

শুধু মালিকের নিজের জন্য নয়, পাকিস্তানের জন্য নানান দৃষ্টিতে এবারের আসরটি খুব গুরুত্বপূর্ণ, ‘চ্যাম্পিয়নস ট্রফি পাকিস্তানের জন্য অনেকগুলো কারণেই গুরুত্বপূর্ণ।

 

একটা ওয়ানডে দল হিসেবে আমরা নিজেদেরকে আবার বিশ্বের অন্যতম সেরা দল হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে চাই।

 

এ ছাড়া ২০১৯ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্য যে র্যাংকিং বাড়ানো দরকার, সেটার জন্যও এটা ভালো একটা সুযোগ।’

 

এদিকে দুই আসর বাদ পড়ার পর এবার আবার চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে আসছেন যুবরাজ সিং। তিনি বলছিলেন, ‘ভারতের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি দলে ফিরতে পেরে আমি উচ্ছসিত।

 

আমাদের শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে অর্থপূর্ণ কিছু অবদান রাখার জন্য আমি মুখিয়ে আছি। আইসিসির বাকী সব টুর্নামেন্টের মতো এটাও খুব চ্যালেঞ্জিং হতে যাচ্ছে।

 

কারণ এখানে বাকী সব দলও ১৮ জুন ওভালে ট্রফিটা হাতে উঁচু করে ধরার লক্ষ্য নিয়ে আসছে। আমরা একটা কঠিন গ্রুপে আছি। তবে একই সাথে আমরা খুবই সফল একটা মৌসুম শেষ করে এখানে আসছি। ফলে আমরা আত্মবিশ্বাসী।’

 

 

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনমত জরিপ

অং সাং সু চির নোভেল পুরুষ্কার প্রত্যাহার করার জন্য আপনারা কি একমত ?

View Results

Loading ... Loading ...
ব্রেকিং নিউজ